ইমরান ১১৭, নওয়াজ ৬৪

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে সব আসনের ফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজের অনলাইন সংস্করণ নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) বরাত দিয়ে ২৬৮টি আসনের ফল প্রকাশ করেছে। এখন দুটি আসনে ফল প্রকাশ বাকি রয়েছে।

ইসিপির ঘোষিত ফল অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দল ১১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। কারাবন্দী নওয়াজ শরিফের গড়া দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ (এন) পেয়েছে ৬৩টি আসন। আর বিলওয়াল ভুট্টো জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) জয়ী হয়েছে ৪৩টি আসনে।

এ ছাড়া মুত্তাহিদা মজলিশ আমল (এমএমএ) পেয়েছে ১১টি আসন, গ্র্যান্ড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (জিডিএ) দুটি ও মুত্তাহিদা কওমি আন্দোলন-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি) ছয়টি আসনে জয়ী হয়েছে।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের মোট ৩৪২ আসনের মধ্যে ২৭২ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়। বাকি ৭০টি আসন নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত। নানা জটিলতার কারণে গত বুধবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দুটি আসনের ভোট হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দলকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে ২৭২ আসনের মধ্যে ১৩৭ আসনে জিততে হবে। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ আসন পাওয়া পিটিআইয়ের সংগ্রহ ১১৭টি আসন। এটা নিশ্চিত যে এক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হতে পাচ্ছেন না ইমরান। ফলে কোয়ালিশন সরকার বা আসন ভাগাভাগি করেই ক্ষমতায় বসার অপেক্ষায় পিটিআই।

প্রাদেশিক পরিষদের ফল

প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নওয়াজের ঘাঁটি বলে পরিচিত পাঞ্জাবে (৩৭১) চমক দেখিয়ে ১২৩টি আসনে জয় পেয়েছে পিটিআই। এখানে নওয়াজের দল পেয়েছে ১২৭ আসন। আর পিপিপি পেয়েছে ছয়টি আসন। প্রাদেশিক সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৪৯ আসন।

পিপিপির ঘাঁটি বলে পরিচিত সিন্ধুতেও (১৬৮) ভালো ফল করেছে ইমরানের পিটিআই। দলটি এখানে প্রাদেশিক পরিষদের ২৩টি আসন পেয়েছে। পিপিপি জিতেছে ৭৪ আসনে। এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চেয়ে ছয়টি আসন বেশি পেয়েছে পিপিপি। নওয়াজের দল এখানে প্রাদেশিক পরিষদের কোনো আসনে জিততে পারেনি।

খাইবার পাখতুন খাওয়া (১২৪) প্রদেশে পিটিআইয়ের অবস্থান আরও সুসংহত হয়েছে। এখানে পিটিআই ৬৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। নওয়াজের দল পাঁচটি ও বিলাওয়ালের দল চারটি আসনে জয় পেয়েছে খাইবার পাখতুন খাওয়ায়।

বেলুচিস্তান প্রদেশে (৬৫) পিটিআই চারটি আসন পেয়েছে। পিপিপি ও পিএমএল কোনো আসন পায়নি। এখানে বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টি (বিএপি) ১৪ আসন পেয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এমএমএ পেয়েছে নয়টি আসন।

Please follow and like us:
0